অসহায় দিন কাটছে এরশাদের পুরনো কর্মচারীদের
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=188734 LIMIT 1

ঢাকা, সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

অসহায় দিন কাটছে এরশাদের পুরনো কর্মচারীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:২৩ ১৯ জুন ২০২০   আপডেট: ১৩:৫১ ১৯ জুন ২০২০

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

দীর্ঘদিনের কর্মস্থল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রেসিডেন্ট পার্ক থেকে বিদায় হওয়া কর্মচারীরা এখন কর্মহীন। এ কারণে অসহায় দিন কাটছে তাদের।

শেষ জীবনের প্রায় তিন বছর এরশাদ ছিলেন খুবই অসুস্থ। বিদায়ী কর্মচারীরা জানান, এ সময়ে তাকে দেখভাল করার আপন কেউ থাকতেন না বারিধারার বাসায়। সাবেক রাষ্ট্রপতির ওষুধ খাওয়ানো ও সেবা করতেন কর্মচারীরাই। সে দিনগুলোতে সারারাত জেগে থাকতে হতো বাসার ১২ কর্মচারীকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন, কখনো ভাবিনি এভাবে স্যারের বাসা থেকে বের করে দেয়া হবে। আমরা স্যারকে ও এরিককে নিজের স্বজনের মতোই দেখতাম। দুঃসময়ে স্যারের পাশে ছিলাম। তখন আমারা ছিলাম আপন। স্যারের আপন কেউ তখন আসেনি। রাত জেগে ও দিনের পর দিন না ঘুমিয়ে, আমরা অসুস্থ স্যারের শয্যা পাশে ছিলাম। আজ আমাদের পাশে কেউ নেই।

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ১২ কর্মচারীকে বারিধারার বাসভবন ‘প্রেসিডেন্ট পার্ক’ থেকে গত ১ জানুয়ারি বিদায় দেয়া হয়েছে। তাদের বেশির ভাগই দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে এরশাদের বাসভবনে কাজ করে তার বিশ্বস্ত হয়ে উঠেছিলেন। এসব কর্মচারীর কেউই এখন আর ওই বাসায় ঢুকতে পারেন না।

এরশাদের আস্থাভাজন ওইসব কর্মচারী হলেন ব্যাক্তিগত সহকারী বাদশা, ক্যামেরাম্যান আবদুস সাত্তার, গাড়িচালক আবদুল আউয়াল, আজিজুর রহমান ও আবদুল মান্না, আবদুল ওয়াহাব ও মতিউর রহমান, পাচক ডিউক রোজারিও, বিপ্লব হোসেন, নিপা ও রুবিনা এবং মালি আতাউর রহমান।

এই বিষয়ে এরিকের মা বিদিশা বলেন, আমি কারো বিদায় করিনি। এরশাদ সাহেবের মৃত্যুর পর কর্মচারীরা এমনিতেই কেউ প্রেসিডেন্ট পার্কে নিয়মিত ছিল না। যার যখন খুশি আসতো, যখন খুশি দেশের বাড়িতে ছুটি কাটাত। এরিকের দেখা-শোনা ঠিক মতো হচ্ছিল না। এ কারণে এরিক আমাকে ডেকে আনে। আমি আসার পরে দু’জন কাজের লোক, দু'জন বাবুর্চি ও একজন গাড়ি চালককে পেয়েছি। আর বাকিদের আমি দেখিনি, মাঝে মাঝে ওয়াহাব আসতো। আমি অবস্থানকালে ট্রাস্ট থেকে তাদের কাউকে বেতন দেয়া হত না, তাই তারা এরিককে বলে স্বেচ্ছায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে অব্যাহতি পত্র দিয়েছে।

এসব কর্মচারী বলছেন, প্রেসিডেন্ট পার্কে ২০০১ সালে ওঠেন এরশাদ। এ সময় তার পুরনো কর্মচারীদের পাশাপাশি নতুন কর্মচারীরাও নিয়োগ পান সেখানে। এরশাদের মৃত্যুর সময় ওই বাড়িতে ১৪-১৫ কর্মচারী ছিলেন। তাদের সবাই প্রায় ২০-২৫ বছরের পুরনো। করোনা দুর্যোগে কর্মহীন হয়ে অসহায় দিন কাটছে তাদের।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/এসএএম