Exim Bank Ltd.
ঢাকা, বুধবার ২১ নভেম্বর, ২০১৮, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

অর্থনৈতিক উন্নয়নে এশিয়ার দ্রুততম দেশ বাংলাদেশ

অমিত গোস্বামী
কবি হিসেবেই পরিচিতি অমিত গোস্বামীর। তবে উপন্যাস, প্রবন্ধ ও বিশ্লেষণধর্মী লেখায়ও বেশ সুনাম রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের এই লেখকের। পেশায় সাংবাদিক। জন্ম, বাস, বেড়ে ওঠা সবই ভারতে। তবে বাংলাদেশের প্রতি রয়েছে বিশেষ টান। বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদকে নিয়ে উপন্যাস লিখে এরইমধ্যে সাড়া ফেলেছেন।

পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের নির্বাচন সবে হয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচন সামনে। তারপরেই ভারতের নির্বাচন। যে কোন গণতান্ত্রিক নির্বাচনে যে ফ্যাক্টরটি মুখ্য হয়ে ওঠে তা হল অর্থনৈতিক অগ্রগতি।

পন্ডিতরা বিভিন্ন পরিসংখ্যান দিয়ে পাতার পর পাতা লিখে তাদের বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আম জনতা সেটা বোঝেন বাজার গিয়ে এবং অন্যান্য সুবিধাপ্রাপ্তির মাধ্যমে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কয়েকদিন আগে বলেছেন যে অর্থ সহায়তা পাওয়া না গেলে দেশ দেউলিয়া হয়ে পড়তে পারে। ভারতে সেনসেক্স বা সূচক তীব্র দুলুনিতে দুলছে। কিন্তু বাংলাদেশ স্থিতিশীল। দ্রুত তাদের টাকার দাম ছুঁতে চলেছে ভারতের রুপির মূল্যমানকে। সেই নিরিখে যদি বিচার করা যায় তাহলে আমরা কী দেখব? জিডিপি বা মোট জাতীয় উত্পাদনে যত ফারাকই থাক, মাথাপিছু গড় আয়ে ভারতকে ছুঁয়ে ফেলব ফেলব করছে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, বছর দুই-তিনেকের মধ্যে বাংলাদেশ ভারতের মাথাপিচু আয়কে ছাপিয়ে যাবে।

যে দেশ থেকে ক্রমাগত লোক এই দেশে আসছেন জীবনে উন্নতির জন্য, জীবিকার জন্য, সেই বাংলাদেশ ভারতকে ডিঙ্গিয়ে যাবে ভাবলেই আমাদের জাতীয় গর্ব, একটু হলেও, খর্ব হয় বইকি। এ যেন বাংলাদেশের কাছে ক্রিকেট ম্যাচে নাস্তানাবুদ হওয়ার থেকেও লজ্জাজনক ব্যাপার! একটা অপেক্ষাকৃত তরুণ দেশ, দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক অস্থিরতায় কাটানো একটা দেশ, কী করে মাথা পিছু আয়ের ক্ষেত্রে আমাদের মতন শক্তিশালী এবং প্রভাবশালী দেশকে ছাপিয়ে যেতে পারে? আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমি বাংলাদেশের উন্নতিকে হিংসা করছি না। বরং বিস্ময়ে কিছুটা স্তব্ধ হয়ে যাই। সত্যিই কি তা সম্ভব?

যদি মূল প্রসঙ্গে ফিরি তাহলে দেখব যে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের পরে পাকিস্তানের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশগুলির মধ্যে বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন নিয়ে নানা বিদ্বেষ ছিল। তার ফলশ্রুতি বাংলাদেশ সৃষ্টি। তখন বাংলাদেশের মাথাপিচু গড় আয় ছিল ৭০ মার্কিন ডলার। এবং ভারতের ছিল ঠিক দ্বিগুন বেশি, ১৪০ ডলার। সহজ ভাষায় বোঝা যায় এভাবে তখন ২০০ বাংলাদেশি টাকা দিলে ১০০ ভারতীয় রুপি পাওয়া যেত। অর্থাৎ মুদ্রামান ভারতের অর্ধেক ছিল বাংলাদেশের। এই মান নির্নীত হয় ডলারের মূল্যসূচকের ভিত্তিতে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশকে নানান ভাবে পিছিয়ে নিয়ে যায় নানা সময়ে। একেই ছোট দেশ, তার পর সামরিক বিদ্রোহ এবং দ্রুত ক্ষমতার পরিবর্তন বাংলাদেশকে স্বাধীনতার প্রথম অনেকগুলো বছর বেশ ভুগিয়েছিল। এমন কি ২০০৩ সালেও ১৭০ বাংলাদেশি টাকায় ১০০ ভারতীয় মুদ্রা পাওয়া যেত। কিন্তু এখন মাত্র ১১৫ টাকায় ১০০ ভারতীয় রুপি। এর মানে গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ ৫৫ টাকার ব্যবধান কমিয়েছে। যা প্রমান করে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির নিরিখে বাংলাদেশ গত ক’বছরে বেশ ভাল ফল দেখিয়েছে। কিন্তু কীভাবে এই পরিবর্তন এসেছে?

২০০৪ সাল থেকে এই অবস্থার পরিবর্তন আসে। বাংলাদেশের অর্থনীতি মুলত রেডিমেড গার্মেন্টস বা পোশাকের রফতানি, এবং বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের পাঠানো টাকা (রেমিটেন্স) এই দুই খাতের উপর নির্ভরশীল। এর ওপর ইদানিংকালে যোগ হয়েছে ইনফ্রাস্টরাকচার বা পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ। অর্থনীতির সূত্র বলে যে, পরিকাঠামোতে যা বিনিয়োগ হয়, তার জিডিপি-র প্রবৃদ্ধির উপর একটা বড় রকমের প্রভাব থাকে। বাংলাদেশে গত পাঁচ বছরে পরিকাঠামোর উন্নয়নমূলক কাজে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ হয়েছে এবং হচ্ছে। যেমন পদ্মার ব্রিজ, রেল পথ উন্নয়ন, নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র, নদী বন্দর ইত্যাদি। এর একটা প্রভাব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর থাকাই স্বাভাবিক।

২০০৫ সালে পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় ছিল ভারত এবং বাংলাদেশের থেকে বেশি। ওই বছর পাকিস্তানের মাথা পিছু আয় ছিল ৭৩০ ডলার। ভারতের ছিল ৭০০ ডলার এবং বাংলাদেশের ছিল ৫৩০ ডলার। পরবর্তী দশ বছরে একটা বিশাল বদল হয়েছে। আজকে ভারত ১,৬৭০ ডলার, বাংলাদেশ ১,৩৩০ ডলার এবং পাকিস্তান ১,৫০০ ডলার। যদি সত্যি বাংলাদেশ ২০২০-২১ পর্যন্ত প্রতি বছর মাথাপিছু আয় ৯ শতাংশ হারে বৃদ্ধি ধরে রাখতে পারে, ভারত এবং পাকিস্তান যদি বর্তমান গতিতে থেকে যায়, তবে দুই দেশকেই টপকান সহজ হয়ে যাবে বাংলাদেশের।

বাংলাদেশের মোট রফতানির ৮০ শতাংশের বেশি জোগায় বস্ত্রশিল্প। ২০১৬-১৭ সালে এই ক্ষেত্র ২৮ বিলিয়ন (২৮০০ কোটি) মার্কিন ডলার দেশকে দেয়। বাংলাদেশের জিডিপি-র অনেকটা আসে সার্ভিস সেক্টর থেকে। কৃষিও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ৫০ শতাংশ বাংলাদেশি কৃষির সঙ্গে নিযুক্ত।২০১২ থেকে ২০১৬-এর মধ্যে যে ভাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়েছে, সেটা দেখবার মতো। বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য বলছে, বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে গড়ে বার্ষিক ৯.০৬ শতাংশ করে বেড়ে হয়েছে ১,৩৩০ মার্কিন ডলার। একই সময়ে ভারতের মাথাপিছু আয় ৩.০৭% বার্ষিক হারে বেড়ে হয়েছে ১,৬৭০ মার্কিন ডলার। ভবিষ্যতে একই হারে দু’দেশের বৃদ্ধি হতে থাকলে, বাংলাদেশ এবং ভারতের মাথাপিছু আয় ২০২০ সালে প্রায় সমান হবে, এবং ২০২১-এ বাংলাদেশ কিন্তু টপকে যাবে ভারতকে।

ভারত কোথায় পিছিয়ে পড়ছে? যে সময় বাংলাদেশ ভাল ফল করেছে, ঠিক ওই সময়ে ভারতে হল অর্থনৈতিক সংস্কার। মোদী সরকারের দাবী দীর্ঘমেয়াদী এবং টেকসই উন্নয়নের জন্যই স্বল্পমেয়াদী বৃদ্ধি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার কিছুটা কমে গিয়েছে। এক সময় ভারত বছরে ৮ শতাংশ অর্থনৈতিক বৃদ্ধি দেখেছে। এখন সেই বৃদ্ধির হার কমে হয়েছে ৬-৭ শতাংশ। ঠিক এই সময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি ঠিকঠাক রেখেছে এবং বৃদ্ধিতে গতি এনেছে। তাদের প্রবৃদ্ধির হার ৯ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০১৮ পর্বে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হয়েছে ৭.৭ শতাংশ। এর ফলে এপ্রিল ২০১৭ থেকে মার্চ ২০১৮ আর্থিক বছরে ভারতের বৃদ্ধির হার হয়েছে ৬.৭ শতাংশ। একই সময়ে বাংলাদেশের জিডিপি বেড়েছে ৭.৬-৭.৭ শতাংশ হারেই।

বাদ দিন পরিসংখ্যানের তুল্যমুল্য হিসাব। আসুন, বাজারে যাওয়া যাক। আগে ভারতে ভোজ্য তেলের দাম বাংলাদেশের অর্ধেক ছিল। এখন সমান সমান। চিনি আগে ভারত থেকে সোজাপথে ও বাঁকা পথে বাংলাদেশে যেত। এখন প্রায় সমান সমান। চাল ও আলুর দাম বাংলাদেশে কম। আয় করের হার বাংলাদেশের অধিবাসীদের কম। রান্নাকরা খাবারের ওপরের প্রাণঘাতী কর বাংলাদেশ সরকার নেয় না। একমাত্র পরিবহন ভাড়া বাংলাদেশে সামান্য বেশি। ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশ তীব্র উন্নতি করেছে গত দশ বছরে। মানের ক্ষেত্রে ভারতের সমান সমান হলেও দামের ক্ষেত্রে তাদের ওষুধের দাম কম। বিদ্যুতের দাম আগে ভারতের তুলনায় ছিল দ্বিগুন। এখন সমান সমান। নির্মাণ সামগ্রীর দাম আগে তুলনায় অনেক বেশি থাকলেও বর্তমানে প্রায় সমান সমান। পেট্রল বা গ্যাসের মূল্য ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে বেশ অনেকখানি কম। আর বস্ত্রশিল্পে তো বাংলাদেশ অনেক আগেই ভারতকে কয়েক কদম পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে অনেক আগে। অর্থাৎ ভারতে যখন জিনিষের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে বাংলাদেশ তাদের দেশে মূল্যবৃদ্ধি আটকাতে পেরেছে। কিন্তু কী করে? কী করেছে তারা? এক কথায় সার্বিক অবস্থার পরিবর্তণ করে। কী ভাবে?

প্রথমত আইন শৃংখলার দৃষ্টিমূলক উন্নতি ঘটিয়ে। দু'হাজার আট সালের ডিসেম্বর মাসে নবম সংসদীয় নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় ফেরার পর প্রধানমন্ত্রী উগ্রবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নেন এবং কঠোর হস্তে সহিংসতা দমন করেন। একই সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে তার দৃঢ়তা এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন যে দেশে অপরাধের সংখ্যা অনেক কমে যায়। ফলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে স্থিতি আসে। যার ফলশ্রুতি বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

দ্বিতীয়ত প্রধানমন্ত্রী বিদেশিদের জন্যে কাজের বাজার খুলে দেন। ফলে একদিকে কারিগরী জ্ঞানসম্পন্ন বহু বিদেশি বাংলাদেশে চাকরি করতে আসেন এবং এই জ্ঞান বিনিময় প্রথার কারনে বাংলাদেশে দ্রুত উৎপাদনশীল শ্রেণি তৈরি হয় যারা গত কয়েকবছরে বাংলাদেশের উৎপাদন ক্ষেত্রে গুণমান ও পরিমানের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন যা রফতানি শিল্পে উন্নয়নের জোয়ার এনেছে।

তৃতীয়ত পুঁজিবাজার ও বীমা খাতের অপরিহার্য গতিশীলতা বাংলাদেশ বজায় রাখতে পেরেছে। ব্যাংকিং খাতকে অনেক বেশি দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে যুক্ত করা হচ্ছে। টেকসই অর্থায়নের মূল কথাই হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থের জোগান নিশ্চিত করা যা তারা করতে পেরেছে।

চতুর্থত টেকসই উন্নয়নের বড় শর্ত হচ্ছে দক্ষ কর্মীর জোগান এবং তাদের জন্য পরিবেশসম্মত কাজের ক্ষেত্র তৈরি করা। বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্নাতকদের প্রায় সবাই কর্মে নিয়োজিত। যেমন—টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো স্নাতকই বেকার নয়।

পঞ্চমত বাংলাদেশ তার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই এশিয়ার অন্যতম বাণিজ্যক ‘হাব’ বা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে চলেছে। বিশেষ করে উপ-আঞ্চলিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এরই মধ্যে যথেষ্ট যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছে। ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি ছাড়াও বস্ত্র ও কৃষিপণ্য রপ্তানির সামর্থ্য দেখিয়ে উপ-আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রসারে বাংলাদেশের ভূমিকা আজ সর্বজনবিদিত। পদ্মা সেতু চালু হলে দক্ষিণ বাংলায় এই অর্থনৈতিক করিডর আসলেই এক সম্ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে। আর সিলেট অঞ্চলের সম্ভাবনা তো সর্বজনবিদিত। বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দিকে নজর দিয়ে আগামী এক দশকেই বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের মতো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক হারে রূপান্তরিত হওয়ার সক্ষমতা রাখে। ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করে বাংলাদেশ এ পথেই হাঁটতে শুরু করেছে।

ষষ্ঠত বাড়ন্ত প্রবৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি খাত, বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে সম্পৃক্ত করে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাহসী সব নীতি-উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলেই আজ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন এক দশকে সাড়ে তিন গুণ বেড়েছে।

সপ্তমত. রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশ এখন এশিয়ার বাজার ধরতে বেশি মনোযোগী। দক্ষিণ কোরিয়া তার ৬০ শতাংশ রপ্তানি করে এশিয়ার বাজারে। ভারত যে পরিমাণ আমদানি করে তার ১ শতাংশ যদি বাংলাদেশ রপ্তানি করে, তাহলে বাড়তি চার বিলিয়ন ডলার আয় হতে পারে।

অষ্টমত তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য ও সেবা উৎপাদন ও সরবরাহে বাংলাদেশে অগ্রগতি চোখে পড়ার মত। আর্থিক খাতে প্রযুক্তিনির্ভর সেবায় (যেমন—মোবাইল ও এজেন্ট ব্যাংকিং) বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ আজ উন্নতির সড়কপথে এবং তা সম্ভব হয়েছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কারনে। কাজেই যখন সম্মিলিত বিরোধী কন্ঠ তার কুচ্ছো গেয়ে বেড়ায় তখন মহাযোদ্ধা সেকেন্দার শাহ’র বিখ্যাত উক্তি মনে পড়ে যায় – সত্যি সেলুকাস। কী বিচিত্র এই দেশ!

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
পুলিশের গাড়ি ভাঙায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
পুলিশের গাড়ি ভাঙায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
তাহলে কি এখনো তারা স্বামী-স্ত্রী?
তাহলে কি এখনো তারা স্বামী-স্ত্রী?
আবারো মা হচ্ছেন কারিনা!
আবারো মা হচ্ছেন কারিনা!
ভাবীর শরীরে দেবরের ‘আপত্তিকর’ স্পর্শ
ভাবীর শরীরে দেবরের ‘আপত্তিকর’ স্পর্শ
নির্বাচন একমাস পেছানোর আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল
নির্বাচন একমাস পেছানোর আশ্বাস দিয়েছে ইসি: ড. কামাল
কাজলকে ‘জোর করে’ চুমু, ছিল অশ্লীল আচরণ!
কাজলকে ‘জোর করে’ চুমু, ছিল অশ্লীল আচরণ!
বিএনপিতে যোগ দিলেন সৈয়দ আলী
বিএনপিতে যোগ দিলেন সৈয়দ আলী
‘হট’ ভিডিওতে ভাইরাল পুনম
‘হট’ ভিডিওতে ভাইরাল পুনম
বাড়িতে বাবার লাশ, ছেলে পরীক্ষার হলে
বাড়িতে বাবার লাশ, ছেলে পরীক্ষার হলে
মুম্বাইতে ‘তারা’
মুম্বাইতে ‘তারা’
দাদি হলেন মমতাজ
দাদি হলেন মমতাজ
মির্জা ফখরুলকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ছাত্রলীগের
মির্জা ফখরুলকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ছাত্রলীগের
লাল শাড়িতে চীনে ঐশী!
লাল শাড়িতে চীনে ঐশী!
‘নৌকার মনোনয়ন পাবে জরিপে অগ্রগামীরা’
‘নৌকার মনোনয়ন পাবে জরিপে অগ্রগামীরা’
১৬ বছরেই মা হয়েছেন সানিয়া!
১৬ বছরেই মা হয়েছেন সানিয়া!
কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? জানালেন ড. কামাল
কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? জানালেন ড. কামাল
নৌকার মাঝি হতে চান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী
নৌকার মাঝি হতে চান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী
‘নির্বাচনে দায়িত্ব পেলে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করবে সেনাবাহিনী’
‘নির্বাচনে দায়িত্ব পেলে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করবে সেনাবাহিনী’
যৌনদাসী বানিয়ে অভিনেত্রীদের...
যৌনদাসী বানিয়ে অভিনেত্রীদের...
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬ আসনে আওয়ামী লীগের ৮১ প্রার্থী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬ আসনে আওয়ামী লীগের ৮১ প্রার্থী
শিরোনাম:
৩০০ আসনেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা এরশাদের ৩০০ আসনেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা এরশাদের মহিলা ফুটবল দলের সঙ্গে ঢাকা ব্যাংকের ছয় বছরের চুক্তি মহিলা ফুটবল দলের সঙ্গে ঢাকা ব্যাংকের ছয় বছরের চুক্তি গুলশানে জাপার মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলছে; জাতীয় পার্টি যে জোটে থাকবে তারাই ক্ষমতাই আসবে: রুহুল আমিন হাওলাদার গুলশানে জাপার মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলছে; জাতীয় পার্টি যে জোটে থাকবে তারাই ক্ষমতাই আসবে: রুহুল আমিন হাওলাদার এবার সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে; কোনো পর্যবেক্ষণ সংস্থা দায়িত্ব পালনে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা : ইসি সচিব এবার সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে; কোনো পর্যবেক্ষণ সংস্থা দায়িত্ব পালনে অনিয়ম করলে ব্যবস্থা : ইসি সচিব টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২ টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২ তৃতীয় দিনের মতো বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলছে তৃতীয় দিনের মতো বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলছে