Exim Bank Ltd.
ঢাকা, শনিবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

অমুক হও তমুক হও, কেউ বলে না মানুষ হও!

মুনিম হাসানডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
অমুক হও তমুক হও, কেউ বলে না মানুষ হও!
প্রতীকী ছবি

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা করে এসেছে। খুব সম্ভব প্রায় সব ক্ষেত্রেই। এই নিয়মের মধ্যে ফাঁকফোকর আছে। এই নিয়ম দুই বছরের জন্য, তো ওই নিয়ম ৫ বছরের জন্য। অর্থাৎ প্রায় প্রতিটি নিয়ম কানুনগুলোই করা হয় পরীক্ষামূলকভাবে। খুব সম্ভব যেকোনো বিষয়ের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে নীতি নির্ধারকগণ উড়ো বিশ্বাসের উপর ঢিল ছোড়েন, যখন যেটা লাগে আর কি!

সফল হলে পুরো ক্রেডিট নিজের পকেটে পুরে ফেলার চেষ্টা করেন আর ব্যর্থ হলে এটার দায়ভার অন্য কারো উপর চাপিয়ে দেবার চেষ্টা করে থাকেন। গত কয়েক বছর থেকে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের মধ্যে একটি হল শিক্ষা ব্যবস্থা। প্রায় প্রতিটি বছরেই শুনতে হয় এই নিয়ম পাল্টাও, তো ওই নিয়ম গড়ো। মাঝখান থেকে যেটা হচ্ছে তা হল শিক্ষার্থীরা ভীত হয়ে পড়ছে যে আগামী বছর না জানি কোন নিয়ম। সেই নিয়মের সাথে তারা নিজেদের খাপ খাওয়াতে পারবে কি না! অন্যদিকে অভিভাবকগন চিন্তিত হয়ে পড়েন শিশুর ভবিষ্যত নিয়ে। আর এটাকে পুঁজি করে তুলছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকগণ।

প্রথমেই বলা দরকার আমাদের দেশ একটি বিশাল জনসংখ্যার সমষ্টি। এখানে সমস্যার আয়োজন যতোটা বেশি কিন্তু সে তুলনায় সমস্যার শতভাগ উপড়ে ফেলা এতোটা সহজ নয়। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা শিশুদের জন্য ঠিক কতটা উপযোগী ? কয়েকটি বিষয়ের অবতারণা না করলেই নয়-

১) প্রথম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ৬টি বই। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠা মাত্র একটি শিশুর কি এমন বিকাশ হয়ে গেলো যে সে ১৩-১৪ টি বইয়ের চাপ সহ্য করতে পারবে?

২) ঢাকার স্কুলগুলো দুইটি শিফটে চলে। একেকটি শাখায় নামীদামী স্কুলগুলোতে ৬০-৭০ জন শিক্ষার্থী থাকে। প্রতিটি ক্লাসের সময় ৪০-৪৫ মিনিট। মনে রাখা দরকার এরা শিশু, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয়। এরা ক্লাসে দুষ্টুমি করে, একজন আর একজনের গায়ে কলমের দাগ দেয়, গুঁতো দেয়, কথা বলে, একটু পর পর পানি খাওয়া বা ওয়াশরুমে যেতে চায়, একজন আর একজনের সাথে গল্প করে এবং এদের সবার মেধার পরিমাণও এক নয়। এরা বাসায় গিয়ে নিজ উদ্যোগে পড়াশুনা করার প্রতি মনযোগীও হবার কথা নয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই ৪৫ মিনিটের একটি ক্লাস ৬০-৭০ জন শিক্ষার্থীর জন্য যথেষ্ট নয়। এদেরকে সামাল দিতে হলেও প্রচন্ড ধৈর্যশীল হওয়াটা জরুরি। আর এই সামাল দিতেই একজন শিক্ষকের ১৫ মিনিট অন্তত চলে যায়। বাকি থাকে ৩০ মিনিট। ৩০ মিনিটে একজন শিক্ষক কিভাবে ৬০-৭০ জন শিক্ষার্থীর দেখ ভাল করতে পারবেন? এদের পড়া তৈরি করা ও আদায় করার জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষকের ৩০ সেকেন্ড বা তার কম সময় কি যথেষ্ট?

৩) আমাদের স্কুলগুলোর কার্যদিবস কতদিন ? এর উপর নির্ভর করে কি সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ করা সম্ভব ? শুধু কি স্কুলেই পড়াশুনা সম্ভব?

৪) যে সকল সন্তানের বাবা-মা উভয়েই চাকরি করে থাকেন তারা সন্তানকে ঠিক কতটা সময় দিতে পারেন? আমরা কেউই রোবট নই। ঢাকার যানজটে অফিসের জন্য সকালবেলা কেউ যদি বেরিয়ে যান তবে বাসায় ফিরতে রাত ৮-৯টা বাজা অস্বাভাবিক নয়। এরপর সারাদিনের ক্লান্তি শেষে সন্তানকে নিয়ে আবার পড়াতে বসানো বা তার প্রতি খেয়াল রাখা ঠিক কতটা সম্ভব?

৫) শিশুদের জন্য আমাদের খেলাধুলার ব্যবস্থা নেই। বিভিন্ন স্থানে নগরায়ন ঘটানো হচ্ছে কিন্তু সেখানে শিশুদের জন্য খেলার মাঠ কি রাখা হচ্ছে? হচ্ছে না। একজন শিশু যদি মাঠে খেলার সুযোগ না পায় তবে তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং পড়াশুনার প্রতি আগ্রহ বা নিজ থেকে উৎসাহী হবার প্রবণতা কিভাবে তৈরি হবে?

৬) অভিভাবকদের মধ্যেও রয়েছে প্রতিযোগিতাপূর্ণ মনোভাব। বিশেষ করে একটি শিশু যখন কেবলমাত্র পঞ্চম শ্রেণিতে এবং যে এখনো ঠিকঠাক মতো পৃথিবীর হাওয়া বাতাস বা শৈশবের আনন্দই ভোগ করতে পারেনি সেই মুহূর্তে তাকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর (PEC) মতো একটি বোর্ড পরিক্ষায় অংশ নিতে হচ্ছে। অভিভাবকগণও একে অপরের সাথে প্রতিযোগী হয়ে উঠছেন। শিশুদের উপর মানসিক চাপ বাড়ছে। কোনো একটি শিশু যদি জিপিএ-৫ না পায় তবে এই বয়সেই তার উপরে ঠিক কতটা মানসিক যন্ত্রণা নেমে আসতে পারে? জীবন শুরুর আগেই সে শিখে যাচ্ছে এটাই বোধহয় ব্যর্থতা। পুরো একটি বছর অভিভাবকদের চাপে তারা শৈশবের একটি অসাধারণ সময় হারিয়ে ফেলছে। পিইসি পরীক্ষার নামে বাব-মায়ের ভেতর সন্তান নিয়ে যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তা সন্তানের মধ্যেও হিংসা-বিদ্বেষ ছাড়া আর অন্য কোনো বীজ ছড়াচ্ছে বলে মনে হয় না।

৭) ষষ্ঠ-অষ্টমের একজন শিক্ষার্থী মোটামুটিভাবে গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজি বিষয়ের প্রতি অধিক মনযোগী হওয়াটাই স্বাভাবিক। এগুলোর প্রতি তাদের দুর্বলতাও বেশি থাকে যার কারনে তাদের অনুশীলনের পরিমাণও এইক্ষেত্রগুলোতে বেশি।বাকি বইগুলো পড়ার সময়ই তাদের পাওয়ার কথা নয়। পরীক্ষার আগের রাতেই তারা বাকি বইগুলো পড়ে থাকে এবং যথারীতি পড়া শেষ করতে পারে না। আর তখন স্বাভাবিকভাবেই তারা প্রশ্ন ফাঁসের অপেক্ষায় থাকে।

৮) নবম-দশমের ক্ষেত্রে একজন বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীর পদার্থ, রসায়ন, গণিত, উচ্চতর গণিত ইত্যাদি বিষয় যুক্ত হয়। সৃজনশীল পদ্ধতির প্রশ্ন হওয়ায় এগুলোর উপরেই তাদের এতবেশি মনযোগী হতে হয় বাকি বইগুলো পড়ার অবকাশ নেই। এর ফলে যেটা হচ্ছে তা হল, ওদের প্রধান বইগুলো যেমন ভালোভাবে পড়া হচ্ছে না তেমনি অনুশীলন হচ্ছে না অন্য বইগুলোরও। পরীক্ষার আগের রাতে সেই শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবকরা প্রশ্ন ফাঁসের অপেক্ষায় কেন থাকবে না? তারা থাকছে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি হয় প্রশ্ন ফাঁস অথবা পরীক্ষার হলে ব্যাপক অনিয়ম না হলে বোর্ড পরীক্ষাগুলোতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং আত্মহত্যার প্রবণতা ব্যাপক আকার ধারণ করবে। কারণ, বইয়ের অতিরিক্ত চাপ এবং শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে খেলাধুলার ব্যবস্থা না থাকা। অন্যদিকে এর সাথে যুক্ত আছে আমাদের খ্যাদ্যাভাসের ব্যাপক অনিয়ম। খ্যাদাভাস কিভাবে আমাদের জীবনকে ভবিষ্যৎ এর জন্য বিশৃঙ্খল করে তুলছে তা পরিবর্তী কোনো লেখায় আলোচিত হবে।

৯) শিশুদের পড়াশুনার ক্ষেত্রে পরিচর্যার জন্য সত্যিকার অর্থে সিলেবাস শেষ করা ও পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য তারা কোচিং সেন্টারমুখী হচ্ছে কিংবা তাদের স্কুলের শিক্ষকগণ তাদের কাছে পড়তে বাধ্য করছেন। কোচিং সেন্টারগুলোকে যদিওবা একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতে হয় কিন্তু ঢাকার নামীদামি স্কুল শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এমন কোনো বিষয় নেই। তারা এক প্রকার বাধ্য করে থাকেন তাদের কাছে পড়তে। তাদের কাছে পড়লে ভালো মার্ক আর না পড়লে অকৃতকার্য করে দেবার প্রবণতা তো রয়েছেই। এছাড়া রয়েছে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ হুমকিও! অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, তার নিয়মে(!) অংক করতে হবে , নোট লিখতে হবে ইত্যাদি বিধিনিষেধ!

আমি জানি না, তার নিয়মের নোট বা অংকের মানেটা কি? সঠিক ও যুক্তিযুক্ত যেকোনো ধরণের উত্তরই তো গ্রহনযোগ্য হবার কথা। তারা বরং লেখার ধরণ বা সৌন্দর্যের উপর হয়তো অনুশীলন করাতে পারেন। আমার ব্যক্তিগত মত হল, একজন শিক্ষক অবশ্যই প্রাইভেট বা টিউশনি করাতেই পারেন। শিক্ষা ব্যবস্থার গলদ অনুযায়ী এটা শিক্ষার্থীদেরই প্রয়োজন কোচিং বা শিক্ষকের আলাদা সহযোগিতা। কিন্তু তাদেরকে বাধ্য করা কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন বা ফেল করানোর মতো মানসিক যন্ত্রনা দেয়াটা একটি বড় সমস্যা। প্রাইভেট বা টিউশনির প্রয়োজনীয়তা দুটি দিক থেকে প্রয়োজন...

ক) শিক্ষকদের বেতনের ক্ষেত্র খুব বেশি বড় নয়। ঢাকা শহরের মতো একটি ব্যয়বহুল শহরে তাদের এই আয়ের ক্ষেত্রটার প্রয়োজন খানেকটা রয়েছে। তবে সেটা অবশ্যই নিজের যোগ্যতা প্রমাণের মাধ্যমে। একজন শিক্ষক কোনোভাবেই আদর্শিক বিচ্যুতি ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের তার কাছে পড়তে বাধ্য করতে পারেন না। বিষয়টা নৈতিক দিক থেকে হওয়াই বাঞ্চনীয়। খ) জনসংখ্যা সমস্যার জন্য প্রতিটি স্কুলে যে পরিমাণ শিক্ষার্থী রয়েছে ও যে পরিমাণ বইয়ের চাপ দেয়া হয়েছে তা স্কুলের স্বল্পসময়ে সম্ভব নয়। তাই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনেই আলাদা কোচিং এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

এই সমস্যাগুলো এতদ্রুত নিমেষ করাও সম্ভব নয়-

আগেই বলেছি স্কুলে যারা পড়াশুনা করে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয়। একজন শিক্ষক যখন সারাদিন এইরকম কমবয়সী শিক্ষার্থীদের সাথে থাকেন তখন তাদের সারাদিনের চিৎকার চেঁচামেচি শিক্ষকদের মানসিকতার উপরেও খুব বাজে প্রভাব ফেলে। শিক্ষকদের ভেতরেও শব্দ দূষণজনিত কারনে মানসিক অবসাদ , বিষন্নতাবোধের তৈরি হয়। এছাড়া পারিবারিক সমস্যা বাকি সবার মতো তাদেরও রয়েছে। সুতরাং এইসবও তাদের মানসিক রোগ তৈরি করে যা অনেক সময় বাচ্চাদের সাথেও দুর্ব্যবহারের কারণ। আপনি নিয়ম নীতি তৈরি করে এটাকে বন্ধ করতে পারবেন না। অফিস থেকে ফেরার পর আপনি নিজেও যেমন একটি শান্ত পরিবেশের খোঁজ করেন , তারাও করেন।শিক্ষার্থীরা যখন কোচিং সেন্টারগুলোতে যায় সেখানে তাদের শিক্ষক হয়ে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারা। যারা অনেকেই তাদের হাত খরচ চালিয়ে থাকে কোচিং থেকে বা টিউশনি থেকে। বাড়ি থেকে নিয়ে আসা টাকা দিয়ে তাদের চলাটা অসম্ভব। এছাড়া ব্যাচেলর হওয়াতে তাদের বাড়ি ভাড়া হয়ে থাকে আকাশচুম্বী। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পক্ষে বাড়ি থেকে প্রতিমাসে ১২-১৫ হাজার টাকা আনা সম্ভব নয়। তারা কোচিং বা টিউশনি করিয়েই সাধারনত তাদের ঢাকার চলাফেরা নিশ্চিত করতে থাকেন। সুতরাং এটা তো নিশ্চিত বলা যায় যে, কোচিংগুলো বেকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় মাধ্যম বেঁচে থাকার। যদি বলা হয়ে থাকে কোচিং সেন্টার বন্ধ প্রশ্নফাঁস বন্ধের অন্যতম উপায় তবে তা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়। যে প্রশ্ন কোচিং পর্যন্ত আসতে পারে তা শিক্ষার্থীর হাতেও যেতে পারে। এটা সঠিক পদ্ধতি হতে পারে না। প্রশ্নফাঁস বন্ধ করতে হলে আগে প্রয়োজন, # পড়ার চাপ কমানো যাতে করে শিক্ষার্থীরা ও অভিভাবকরা প্রশ্নের জন্য লোভী না হয়ে ওঠে।# প্রশ্নের ফাইলের সাথে ভারতের মতো ট্রান্সমিটার যুক্ত করতে পারে যেন সঠিক সময়ের আগে কেউ এটা খুললে তা জানা যায়। # এছাড়া সর্বোপরি যা প্রয়োজন তা হল , দোষীদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি দেখানো।

আজকেই শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যত। এই ভবিষ্যতকে তৈরি করতে হলে অবশ্যই তাকে একটি ভালো মানুষে পরিণত করা জরুরী। একজন ভালো মানুষ কিভাবে হয়? সে হয়তো বাবা-মা ও শিক্ষকের কাছে ভালো কিছু শিখবে, সে শিখবে খেলাধুলার মাধ্যমে, সে শিখবে নতুন নতুন বই পড়ার মাধ্যমে। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে কি হচ্ছে?

বাবা-মা সন্তানকে অযাচিত প্রতিযোগিতার মুখে ফেলছেন। বইয়ের চাপে প্রশ্নের প্রতি লোভনীয় হতে শিখছে , শিক্ষকরা অনৈতিকভাবে তাদের উপর চাপ তৈরি করছে, খেলাধুলার সুযোগ তো নেই-ই , নতুন নতুন বই পড়ার সময় এবং আগ্রহ কোনোটাই তাদের ভেতর তৈরি করা যাচ্ছে না। তাহলে ভবিষ্যৎ এ এই প্রজন্মটি আসলে কি হতে যাচ্ছে? কবির সুমনের ভাষায় বলতে হয়...

“পড়ার চাপে পিষ্ট হয়ে কি করবো এই শিক্ষা নিয়ে ? অমুক হও তমুক হও, কেউ বলে না মানুষ হও!”

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই

আরোও পড়ুন
সর্বাধিক পঠিত
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
শিস দিয়েই দুই বাংলার তারকা জামালপুরের অবন্তী
সুজির মালাই পিঠা
সুজির মালাই পিঠা
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
আশুরার রোজা: নিয়ম ও ফজিলত
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
তরুণীদের বেডরুমে নেয়ার পর হত্যা করাই কাজ
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
সূরা আল নাস এর গুরুত্ব ও ফজিলত
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
রাতে ফেসবুক বন্ধ চান রওশন
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
অবন্তী সিঁথির জয়জয়কার
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবেই তুমি বাংলাদেশ!
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
যৌনতায় ঠাসা ৫টি সিনেমা
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
মিলনে ‘অপটু’ ট্রাম্প, বোমা ফাটালেন এই পর্নো তারকা!
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
উচ্চতা বাড়ায় যেসব খাবার
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘তারেকের তিন গাড়ি, আমার বোন চলে বাসে’
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
‘শাহরুখ’ আর রেডি গোয়িং টু জাহান্নাম!
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
নিককে প্রকাশ্যে চুমু খেলেন প্রিয়াঙ্কা
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
বিয়ে ছাড়াই মা হলেন জিৎ-এর প্রেমিকা!
‘পবিত্র আশুরা’
‘পবিত্র আশুরা’
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
সূরা বাকারার শেষ অংশের ফজিলত
স্টিফেন হকিংয়ের পাঁচ ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী
স্টিফেন হকিংয়ের পাঁচ ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
বিবাহিতা বা সন্তানের মা হলে ১০ লাখ জরিমানা!
মহররম ও আশুরা: করণীয় ও বর্জনীয়
মহররম ও আশুরা: করণীয় ও বর্জনীয়
শিরোনাম:
৪-১ গোলে মালিদ্বীপের নিউ রেডিয়ান্ট স্পোর্টস ক্লাবকে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস ৪-১ গোলে মালিদ্বীপের নিউ রেডিয়ান্ট স্পোর্টস ক্লাবকে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে দুই ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা পুঠিয়ায় থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ পুঠিয়ায় থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে তানজানিয়ায় ফেরি ডুবে নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে