Alexa অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় সতিন ও সৎ ছেলের হামলা

ঢাকা, বুধবার   ১১ ডিসেম্বর ২০১৯,   অগ্রহায়ণ ২৬ ১৪২৬,   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১

অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় সতিন ও সৎ ছেলের হামলা

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

 প্রকাশিত: ২০:১৭ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২০:২১ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

যশোরের মণিরামপুরে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরে সতিন ও সৎ ছেলের হামলার আহত হয়েছে নার্গিস পারভীন নামে এক নারী। হামলায় চোখ হারাতে বসেছেন তিনি।  

ওই ঘটনায় সতিন মরিয়ম, সৎ ছেলে নূরনবী ও শাশুড়ি বেগমকে আসামি করে থানায় অভিযোগ করেছেন পারভীন। সোমবার দুপুরে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন ওই নারী। 

মঙ্গলবার বিকেলে নার্গিস পারভীন বলেন, উপজেলার হরিহরনগরের আব্দুল ওয়াদুদের সঙ্গে তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়। তিনি ওয়াদুদের দ্বিতীয় স্ত্রী। বিয়ের পর থেকে বন্ধু চুলায় কাজ করে সংসারে যোগান দেন তিনি। গত পাঁচ মাস ধরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা। এই সংবাদ জানাজানি হওয়ার পর থেকে সতিন, সৎ ছেলে ও শাশুড়ি তার ওপর নির্যাতন করেন। শুধু তাই নয় তার স্বামী ওয়াদুদকেও তারা মারপিট করে। 

তিনি আরো বলেন, গত শনিবার সতিন আমাকে মারপিট করে কামড়িয়ে ঠোট ছিড়ে দেয়।  রাতে নূরনবী ঘরের দরজা ভেঙ্গে তার বাবা ওয়াদুদকে মারপিট করে। এসময় এগিয়ে গেলে নূরনবী ও তার মা আমাকে পিটিয়ে জখম করে। 

নার্গিস অভিযোগ করেন, বিনা চিকিৎসায় দুই দিন বাড়িতে পড়ে ছিলেন তিনি। যন্ত্রণা সইতে না পেরে সোমবার দুপুরে মণিরামপুর থানায় আসলে পুলিশ তাকে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। 

তিনি বলেন, ‘চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছিনে। ডাক্তাররা বলেছে, চোখের ডাক্তার দেখাতে হবে। টাকা পয়সা নেই। কি করে চোখের ডাক্তার দেখাবো। এই পর্যন্ত আমার স্বামী ওয়াদুদও আমাকে দেখতে হাসপাতালে আসেননি।’ 

মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. অনুপ বসু বলেন, ‘নার্গিসের চোখের আঘাত গুরুতর। তার চোখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। তাকে চোখের ডাক্তার দেখাতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।’

এসআই সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘অভিযোগের কপি হাতে পেয়েছি। আসামি গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’ 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে