অগ্রণী ব্যাংকে রেমিট্যান্স পাঠালে নগদ প্রণোদনা ৩ শতাংশ
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=191973 LIMIT 1

ঢাকা, শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০,   শ্রাবণ ২৩ ১৪২৭,   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

Beximco LPG Gas

অগ্রণী ব্যাংকে রেমিট্যান্স পাঠালে নগদ প্রণোদনা ৩ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২৩ ৪ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৭:২৫ ৪ জুলাই ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনার এ মহামারির সময়ে রেমিট্যান্সের ওপর বিশেষ প্রণোদনা দিচ্ছে অগ্রণী ব্যাংক। এ ব্যাংকে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠালে নগদ ৩ শতাংশ প্রণোদনা মিলছে।

এদিকে দেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠালে নগদ ২ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। তবে প্রবাসীদের আকৃষ্ট করতে আরো এক শতাংশ বেশি প্রণোদনা দিচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত এ ব্যাংকটি। 

অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম বলেন, সরকার গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের ওপর ২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। এটি চলতি বছরেও কার্যকর রয়েছে। এটি যুগোপযোগী একটি পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, অগ্রণী ব্যাংক রেমিট্যান্সের ওপর ৩ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর জন্য এ প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। এই প্রণোদনা গত রমজান মাস থেকে চালু হয়েছে। আগামী ঈদুল আজহা পর্যন্ত চলবে। এ সময় প্রবাসী বাংলাদেশিরা অগ্রণী ব্যাংকে রেমিট্যান্স পাঠালে এই সুবিধা ভোগ করবেন।

অগ্রণী ব্যাংকের এমডি আরো বলেন,  সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে রেমিট্যান্স আহরণে অগ্রণী ব্যাংক ‘নাম্বার ওয়ান’। আমরা এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এমন উদ্যোগ নিয়েছি। 

জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে অগ্রণী ব্যাংকের সিঙ্গাপুরের এক্সচেঞ্জ অফিস একটি অ্যাপস তৈরি করেছে। সিঙ্গাপুরের প্রবাসীরা ব্যাংকে না এসেই অ্যাপসের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছেন। এর ফলে করোনার সময়ে অগ্রণী ব্যাংকের রেমিট্যান্স আহরণ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে করোনাভাইরাসের এ প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, প্রবাসীরা সদ্যসমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ৪৯ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ( প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে) এক লাখ ৫৪ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা। 

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রবাসী আয়ে সরকার প্রণোদনা ঘোষণা করায় বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহ বোধ করছে বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণের বছর। এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স হয় এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার। সেই হিসাবে আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার কোটি টাকা।

সদ্য সমাপ্ত  ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৩৬ বিলিয়ন ডলারের (তিন হাজার ৬০০ কোটি) মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর আগে কোনো অর্থবছরে এতো বেশি অর্থ প্রবাসীরা পাঠাননি। আগের অর্থবছরের তুলনায় রেমিটেন্স বেড়েছে ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার।

এছাড়া জুনে তিন দফায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন রেকর্ড গড়েছে। প্রায় তিন বছর পর গত ৩ জুন রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। এরপর ২৪ জুন ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। সর্বশেষ ৩০ জুন ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। অর্থাৎ ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬০১ কোটি ডলার।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর