যে কারণে বকরি চরিয়েছেন নবী রাসূলগণ!

আগের যুগে মানুষের হালাল উপার্জনের একটি অন্যতম মাধ্যম ছিল বকরি চরানো। হাদীসে এসেছে, আল্লাহ তায়ালা যত নবী রাসূল পাঠিয়েছেন সকলেই বকরি চরিয়েছেন। এমনকি আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) সহ সকল নবী ও রাসূল বকরি চড়িয়েছেন। আগের যুগে বকরি চরানো মানুষের হালাল উপার্জনের একটি অন্যতম মাধ্যম ছিল। এ কাজের মাধ্যমে মানুষ সে সময় গরিব থেকে ধনী হত। পাশাপাশি মানুষের মনেরও একটি পরীক্ষা হত। কারণ রোদ্রতাপে বকরির বিশৃঙ্খল আচরণ বরদাশত করার বাধ্যকতা থাকত।

মহানবী (সাঃ) বলেন- ‘যে ব্যক্তি এই সূরা প্রতি রাতে পাঠ করবেন তাঁকে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না’

নবীগণের বকরি চরানোর বিষয়ে হাদীসে এসেছে, হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা যত নবী রাসূল পাঠিয়েছেন সকলেই বকরি চরিয়েছেন। সাহাবা কেরাম বললেন, আপনিও কি চরিয়েছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি মক্কাবাসীর কারারিত নামক (অথবা কয়েক কিরাতের বিনিময়ে) স্থানে বকরি চরিয়েছি। (বুখারি, ইজারা অধ্যায়, হাদীস নং ২২৭১ , মাজমাউয যাওয়ায়ে, হাদীস নং ১৩৮৮১, তবরানি,)। (আওযাজুল মাসালিক, পৃ :৩০১)

তবে কী কারণে সমস্ত নবী ও রাসূল বকরী চরিয়েছেন- এ নিয়ে অনেক মতবিরোধ রয়েছে। প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ ইবনে হাজার (রহ.) বলেন, এতে নবীগণের ধৈর্যের অনুশীলন হতো। সহনশীলতা প্রকাশ ঘটতো। যাতে করে উম্মতের দুর্বলতার প্রতি তাদের অনাগ্রহ না হয়।

অনেকে বলেন, নবীগণের বকরী চরানো ছিল নিরহংকার ও বিনয়তার প্রকাশ ঘটানো। এতে ধৈর্য,নম্রতা ও বিনয় অর্জনের সুযোগ হতো। অনেকে বলেন, বান্দার দুনিয়াবি কাজকর্মের প্রতি পরিচিতি হওয়া। বিশেষত হালাল উপার্জনের বিষয়টি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *